এক ভিডিও, লক্ষ লক্ষ খাবার: মিস্টার বিস্টের কেনিয়া, ঘানা ও আমেরিকায় ক্ষুধার বিরুদ্ধে উদ্যোগ

YouTube-এ খুলুন ↗
সংক্ষিপ্ত বিবরণ

এই ভিডিওর ধারণাটি সহজ। মিস্টার বিস্ট (জিমি) জানান, কেউ পুরো ভিডিওটি দেখলেই যে অর্থ আয় হয়, তা অভাবী মানুষকে খাওয়ানোর কাজে ব্যয় হবে। ভিডিওটি যত বেশি দেখা হবে, তত বেশি মানুষ খাবার পাবে। তাঁর দাবি, এই অর্থ শুধু খাবার কেনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। এ দিয়ে কৃষিজমি গড়া, বড় রান্নাঘর তৈরি, স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা এবং শিশুদের শিশুশ্রম থেকে রক্ষা করাও সম্ভব। ভিডিওতে তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট দেখানো হয়েছে: কেনিয়ার একটি স্কুল ও খামার, ঘানার কোকো চাষী সম্প্রদায় এবং আমেরিকায় নষ্ট হতে যাওয়া খাবার উদ্ধারের কাজ। শুরুতেই রাস্তায় খাবার বিতরণ দেখিয়ে তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১৫০০ জনকে খাবার দেওয়া হয়েছে।

10 মিনিটে পড়া

কেনিয়ার স্কুল: খাবার থেকে ডেস্ক পর্যন্ত

মিস্টার বিস্ট বলেন, তাঁদের খাবার কর্মসূচির কারণে স্কুলে উপস্থিতির হার অনেক বেড়ে গেছে। তাই শ্রেণীকক্ষগুলো উন্নত করাকেই তাঁরা যুক্তিসঙ্গত মনে করেছেন। স্কুলে ডেস্ক এত কম যে কিছু শিক্ষার্থীকে আক্ষরিক অর্থেই পাথরের উপর বসতে হয়। একটি ডেস্কে চারজন শিশু বসে আছে দেখে তিনি জানতে চান, এতে কতজনের বসার কথা। উত্তর আসে, মাত্র দুজনের। শিক্ষার্থীরা নতুন ডেস্ক চায় কিনা জিজ্ঞেস করার পর দল নতুন ডেস্ক এনে ক্লাসে বসিয়ে দেয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এখন নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীসহ সবার বসার জায়গা আছে।

এই অংশে একজন সঙ্গী মন্তব্য করেন, আমেরিকা ও ইউরোপে যেসব জিনিস স্বাভাবিক ধরে নেওয়া হয়, এই অভিজ্ঞতা সেগুলোকে নতুনভাবে দেখতে শেখায়। পাথরের বদলে বসার জন্য একটি ডেস্কের মতো সাধারণ জিনিসও শিশুদের পুরো সপ্তাহ বদলে দিচ্ছে।

এরপর রান্নাঘরের প্রসঙ্গ আসে। আগের রান্নাঘর দেখিয়ে মিস্টার বিস্ট বলেন, সেটি দিয়ে স্কুলের দিনে শিশুদের নাস্তা ও দুপুরের খাবার দেওয়া সম্ভব নয়। তাই তাঁরা একটি একদম নতুন রান্নাঘর তৈরি করেছেন। স্কুল সংস্কারের পাশাপাশি পানি সংরক্ষণের জন্য একটি কূপ খনন করা হয়েছে, আর একটি গ্রিনহাউস ও খামারও তৈরি হয়েছে। তাঁর ভাষায়, স্কুলটিকে প্রয়োজনীয় সবকিছুর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

ওলেলেশওয়া ফার্ম ও নতুন ট্র্যাক্টর

আশপাশের স্কুলগুলোতেও শিক্ষার্থী বাড়ছে। তাই তাঁরা একটি বিশাল খামারের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছেন। খামারটি চালান জাস্টিস। তিনি ওলেলেশওয়া ফার্মের কাঠামো ব্যাখ্যা করেন। খামারের দুটি অংশ আছে। একটি অংশের ফসল সরাসরি স্কুলে যায়। অন্য অংশের ফসল আশপাশের সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রির জন্য চাষ করা হয়, আর সেই আয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটিকে চালু রাখতে সাহায্য করে।

সমস্যা ছিল, খামারে এখনো কায়িক শ্রম ব্যবহার হচ্ছে। মিস্টার বিস্টের মতে, স্কুলগুলোর যতটা খাদ্য দরকার, এভাবে ততটা উৎপাদন করা যায় না। তাই তাঁরা খামারটিকে একটি নতুন ট্র্যাক্টর উপহার দেন। তাঁর হিসেবে, আগে যে কাজে ৪৫ মিনিট লাগত, এখন তা ৪৫ সেকেন্ডে হবে।

ট্র্যাক্টরটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা তিনি ব্যাখ্যা করেন। ভিউ থেকে টাকা তুলে স্কুলের খাবার কর্মসূচিতে দেওয়া হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু খাবার "বাতাস থেকে জাদুর মতো" আসে না। খাবারকে কোথাও না কোথাও উৎপাদন হতে হয়। এই ক্ষেত্রে সেটি আসছে ট্র্যাক্টরের কারণে বাড়া ফলন থেকে।

সম্প্রদায়ের জন্য ট্রাক এবং ১,০০,০০০ খাবার

উৎপাদিত খাবার যাতে যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেজন্য স্কুলকে একটি নতুন ট্রাকের চাবি দেওয়া হয়। মিস্টার বিস্ট জানান, এই ট্রাক দিয়ে স্কুল পুরো সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোতে অতিরিক্ত খাবার পৌঁছে দিতে পারবে। ট্রাকের ভেতরে ইতিমধ্যে ১,০০,০০০-এর বেশি খাবারের সমপরিমাণ খাদ্য ছিল। কৃতজ্ঞতা জানাতে সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁকে একটি ছাগল উপহার দেন।

কেনিয়া অংশ শেষ করে তিনি একটি বড় প্রতিশ্রুতি দেন। দর্শকরা ভিডিওটি দেখার ফলে, ভিডিওর শেষে তাঁরা দশ লক্ষ খাবার বিতরণ করবেন।

ঘানা: বাঁধাকপির খামার ও কোকো চাষের বাস্তবতা

ঘানায় দল একটি স্থানীয় স্কুলের জন্য আরেকটি রান্নাঘর ও পানির ট্যাঙ্ক দেয়। পাশাপাশি একটি নতুন খামার নির্মাণেও অর্থায়ন করে। সেখানে বাঁধাকপি রোপণ করা হচ্ছে। মিস্টার বিস্ট জানান, প্রায় আড়াই মাসে এগুলো পূর্ণ বাঁধাকপি হয়ে উঠবে, আর এই ছোট খামার থেকেই শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো যাবে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ঘানার আরও লক্ষ লক্ষ খামারের গল্প এমন ইতিবাচক নয়। এটি একটি কৃষক সম্প্রদায়, যেখানে বেশিরভাগ বাবা-মা কোকো চাষী, আর শিশুরাও পরিবারের আয়ে বড় ভূমিকা রাখে। স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথোপকথনে নিশ্চিত হয় যে এই স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে প্রতি পাঁচজন শিক্ষার্থীর চারজন কোকো খামারে কাজ করত। এখন বিনামূল্যে খাবার পাওয়ায় তারা খামারে না গিয়ে স্কুলে পড়ছে। স্কুলের একজন জানান, এই খাবার ভর্তির হার বাড়াচ্ছে। এটি শিশুদের স্কুলে আনে এবং তাদের স্কুলে ধরে রাখে।

পরিবারকে পশু দান: শিশুদের স্কুলে রাখার আরেক উপায়

শিশুদের স্কুলে রাখতে দল আরেকটি পদ্ধতি নেয়। তারা কয়েক ডজন জোড়া পশু কেনে, যার মধ্যে গরু ও ছাগল ছিল। পশুগুলো পরিবারগুলোকে উপহার দেওয়া হয়। মিস্টার বিস্টের যুক্তি হলো, এই অতিরিক্ত আয়ের কারণে পরিবারগুলো সন্তানদের খামারে কাজে না পাঠিয়ে স্কুলে পাঠাতে পারবে। এক পরিবারের সঙ্গে কথায় জানা যায়, পরদিনই তাদের সন্তানদের স্কুলের প্রথম দিন।

এই অংশে একটি হালকা বিপত্তিও ঘটে। পশু বিতরণে সাহায্যের জন্য মিস্টার বিস্ট সহকর্মী তারেকের উপর নির্ভর করেছিলেন। তিনি নিজেই বলেন, সেটা একটা ভুল ছিল। তারেককে একসঙ্গে পরের দশটি ছাগল বের করতে বলা হলে ছাগলগুলো ছুটে পালিয়ে যায়। মজা করে তিনি তারেককে "বরখাস্ত" ঘোষণা করেন। ঘানায় সময় শেষ হয় শিশুদের চকলেট খাওয়ানো এবং ড্রোন ক্যামেরা দেখানোর মধ্য দিয়ে।

ফিস্টেবলস ও শিশুশ্রম পর্যবেক্ষণ

মিস্টার বিস্ট একটি পরিসংখ্যান উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্যমতে, ঘানার কোকো চাষী পরিবারে বসবাসকারী ৪৫ শতাংশ শিশু অবৈধ শিশুশ্রমে নিযুক্ত। এর বিরুদ্ধে লড়তে তাঁর চকলেট ব্র্যান্ড ফিস্টেবলস কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছে। লক্ষ্য হলো শিশুশ্রম পর্যবেক্ষণ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে শিশুদের শ্রম থেকে বের করে স্কুলে পাঠানো যায়।

স্কুলের একজন প্রতিনিধি জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে খাবারের ব্যবস্থা হোক, এটাই ছিল তাঁদের প্রার্থনা, আর এখন সেটা পূরণ হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এটি বছরের পর বছর চলবে। মিস্টার বিস্ট উত্তরে বলেন, তিনি আশা করেন এটি চিরকাল চলবে।

আমেরিকা: খাদ্যের অভাব নয়, অপচয়ের সমস্যা

আমেরিকায় ফিরে মিস্টার বিস্ট বলেন, এখানে ক্ষুধা দূর করতে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সমস্যার সমাধান করতে হবে। তাঁর দাবি, আমেরিকা এত বেশি খাবার উৎপাদন করে যে তার প্রায় ৪০ শতাংশ ফেলে দেওয়া হয়। এর মাত্র দশ শতাংশ বাঁচানো গেলে তাত্ত্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষুধা দূর করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

এই প্রেক্ষাপটে তাঁরা যান ফিলাডেলফিয়ার পাইকারি পণ্য বাজারে। তিনি এটিকে আমেরিকার বৃহত্তম খাদ্য বাজারগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্যে, এখানে প্রতি বছর দশ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত অবিক্রীত খাবার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এখানেই কাজ করে ইভান ও তাঁর অলাভজনক প্রতিষ্ঠান শেয়ারিং এক্সেস।

ইভান ব্যাখ্যা করেন, বিক্রেতাদের কাছে বিক্রির জায়গা না থাকলে খাবার ফেলে দেওয়াই সবচেয়ে সহজ পথ। উদাহরণ হিসেবে তিনি আলুর কথা বলেন। কিছু খুচরা বিক্রেতা মেয়াদ শেষ হতে এক মাস বাকি থাকলেই আর পণ্য নিতে চান না। মিস্টার বিস্ট একমত হয়ে বলেন, এটা একেবারেই যুক্তিসঙ্গত নয়। শেয়ারিং এক্সেস এমন "মূর্খ কারণে" ফেলে দেওয়া হতো এমন লক্ষ লক্ষ পাউন্ড খাবার সংগ্রহ করে।

বাছাই পদ্ধতিটি খুবই সরল। দেখতে ভালো হলে "ভালো বাক্সে", না হলে ডাস্টবিনে। প্রক্রিয়াটি এত সহজ কেন, জিজ্ঞেস করলে ইভান বলেন, আরও জটিল করলে মানুষ কাজটা করবে না। বাছাইয়ের সময় দলের সদস্যরা কার মরিচ সবচেয়ে বড়, তা নিয়ে মজাও করেন। তারেকের মরিচ ছোট, নোলানের মরিচ কোঁকড়ানো।

শেয়ারিং এক্সেসের বাধা: ট্রাকের অভাব

ইভান জানান, সেদিন এই ভবন থেকে এসব খাবার দান করা হয়েছে, কিন্তু আরও অনেক খাবার রয়ে গেছে। যত খাবার পাওয়া যায়, তা তুলে নিতে তাঁদের আরও ট্রাক দরকার। মিস্টার বিস্টের ব্যাখ্যায়, এই বাজার ও এমন অন্যান্য বাজারে এত খাবার থাকে যে শেয়ারিং এক্সেসও নষ্ট হওয়ার আগে সব বিতরণ করতে পারে না। অথচ মাত্র একটি ট্রাক দিয়েই তারা প্রতি বছর সাত মিলিয়ন পাউন্ড অতিরিক্ত খাদ্য উদ্ধার করতে পারে।

এরপর ইভানকে চোখ বন্ধ করে ঘুরে দাঁড়াতে বলা হয়, আর তাঁকে একটি নতুন ট্রাক উপহার দেওয়া হয়। মিস্টার বিস্ট আবার মনে করিয়ে দেন, দর্শকরা ভিডিওটি দেখে শেয়ারিং এক্সেসকে আরও অর্থ দিতে সাহায্য করছেন, যাতে আগামী বছরগুলোতে ট্রাকটি খাবারে ভরা থাকে।

একদিনের অতিরিক্ত ট্রাকে কী করা যায়

একটি অতিরিক্ত ট্রাক মাত্র একদিনে কী করতে পারে, তা দেখাতে দল কাজ শুরু করে "ডাবল ট্রেলিস" নামের একটি ফুড কিচেনে খাদ্য সরবরাহের মাধ্যমে। সেখানে প্রতিদিন অভাবীদের জন্য রান্না হয়। মিস্টার বিস্ট বলেন, সেখানে দেখা সব উপকরণই ফেলে দেওয়া হতো, অথচ এখন তা অভাবী কারও জন্য সুস্বাদু খাবার হয়ে উঠছে। তাঁর মতে, ব্যাপারটা পাগলামি।

রান্না করা খাবারে ৬০০ জনের আহার হয়েছিল, তবুও ট্রাকে হাজার হাজার পাউন্ড তাজা পণ্য বাকি ছিল। সেগুলো দিয়ে একাধিক কমিউনিটি ফ্রিজ ভরা হয়, রাস্তায় সরাসরি মানুষের হাতে খাবার তুলে দেওয়া হয়। শেষে উত্তর ক্যারোলিনায় তাঁরা নিজেদের একটি খাদ্য বিতরণ অভিযানের আয়োজন করেন, যেখানে শত শত মানুষের পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন ছিল।

ডোরড্যাশের অংশীদারিত্ব

এই অংশে ভিডিওর স্পনসর ডোরড্যাশের প্রসঙ্গ আসে। মিস্টার বিস্ট জানান, সীমিত সময়ের জন্য ডোরড্যাশের ড্যাশমার্টে একচেটিয়াভাবে পাওয়া একটি হুডি কিনলে অভাবী মানুষের জন্য একশোটি খাবার দানে সাহায্য হবে। দর্শকদের QR কোড স্ক্যান করতে বা বর্ণনার লিঙ্কে ক্লিক করতে বলা হয়। ইভানও তাঁর শেয়ারিং এক্সেসের ব্র্যান্ডিং ডোরড্যাশ হুডির উপর লাগিয়ে দেন। একজন অংশগ্রহণকারী জানান, ডোরড্যাশের প্রকল্প DASH মাত্র কয়েক বছরে একশ মিলিয়নেরও বেশি খাবার সরবরাহে সাহায্য করেছে, যে খাবার না হলে ফেলে দেওয়া হতো।

খাদ্য বিতরণের সময় একটি মজার মুহূর্তও আসে। এক শিশু জানায়, সে ভিডিওগুলো দেখে, কিন্তু মিস্টার বিস্টের নাম জানে না।

দুটি চেক: একটি নির্দিষ্ট, একটি ফাঁকা

খাদ্য অভিযান শেষে মিস্টার বিস্ট ইভানকে দুটি চেক দেন। প্রথম চেকটি ছয় লক্ষ খাবারের। ভিডিও প্রকাশের আগেই তাঁরা দশ লক্ষ খাবারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আর সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে শেয়ারিং এক্সেসকে ছয় লক্ষ খাবার জোগাতে বলা হয়। ইভান জানান, তাঁরা কাজটি করছেন।

দ্বিতীয় চেকটি ফাঁকা। ভিডিও আপলোডের পর কত টাকা আসবে, তা মিস্টার বিস্ট এখনো জানেন না। কারণ এটি নির্ভর করবে কতজন ভিডিওটি দেখেন তার উপর। দর্শকরা দেখার পর তিনি চেকটি পূরণ করবেন, যাতে সেই অর্থে অভাবী মানুষদের খাওয়ানো যায়। ইভান দর্শকদের অনুরোধ করেন ভিডিওটি দেখতে। মিস্টার বিস্টও জোর দেন, চেকের ডলারের অঙ্ক দর্শকদের উপরই নির্ভর করছে।

টনি রবিন্সের প্রতিশ্রুতি এবং সমাপ্তি

শেষে জানানো হয়, খাবারের অর্থায়নে ডোরড্যাশের পাশাপাশি টনি রবিন্সও এগিয়ে এসেছেন। একটি বার্তায় তিনি বলেন, প্রতিটি ভিউ আরও খাবার আনবে। তাই তিনি দশ মিলিয়ন খাবারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, যা তাঁর সঙ্গে যোগ দিতে চাওয়াদের জন্য সমান তহবিল (ম্যাচিং ফান্ড) হিসেবে কাজ করবে। তিনি সবাইকে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে এবং যত বেশি সম্ভব মানুষকে সাহায্য করতে আহ্বান জানান।

ভিডিওর শেষ বক্তব্য অনুযায়ী, টনি রবিন্স ও ডোরড্যাশের কারণে প্রতি ২০টি ভিউ একজন অভাবী মানুষের একটি খাবারের সমান। দর্শকদের ভিডিওটি বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত মোট কত খাবার দেওয়া সম্ভব হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর ভিডিওতে খোলা থেকে যায়। তা নির্ভর করছে ভিডিওটি কতবার দেখা হয় তার উপর।