চিতা বনাম বিশ্বের দ্রুততম গাড়ি: মানুষ ও প্রাণীর সাতটি প্রতিযোগিতা

YouTube-এ খুলুন ↗
সংক্ষিপ্ত বিবরণ

এই ভিডিওর কেন্দ্রীয় প্রশ্ন সরল: নানা ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন মানুষ কি প্রাণীদের হারাতে পারে? জিমি (MrBeast) শুরুতেই কয়েকটি প্রশ্ন তোলেন। একটি চিতা কি বিশ্বের অন্যতম দ্রুত গাড়ির চেয়ে দ্রুত? একজন মানুষ কি লড়াইয়ে ভাল্লুককে হারাতে পারে? একটি বাঘ কি বিশ্বরেকর্ডধারী হাই-জাম্পারের চেয়ে উঁচুতে লাফাতে পারে? "মানুষ বনাম প্রাণী" শিরোনামে মোট সাতটি চ্যালেঞ্জ সাজানো হয়েছে। শেষ চ্যালেঞ্জটি চিতা আর একটি Formula E রেস কারের দৌড়।

10 মিনিটে পড়া

শক্তিমানের সঙ্গে সিংহের দড়ি টানাটানি

প্রথম চ্যালেঞ্জে শক্তিমান ব্রায়ান ৫০০ পাউন্ডের একটি সিংহের সঙ্গে টাগ-অফ-ওয়ার খেলেন। ভিডিওতে দেখানো হয়, ব্রায়ান এর আগে একটি আসল বিমান টেনে নিয়ে গেছেন। তবু শুরুতে তিনি সিংহটিকে এক ইঞ্চিও নড়াতে পারছিলেন না। উপস্থাপকদের ভাষায়, সিংহটি "বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষকে" আটকে রেখেছিল।

একপর্যায়ে সিংহটি ঘুরে দাঁড়ায়। উপস্থাপকদের মনে হয়, সে ব্রায়ানকে ক্লান্ত করার চেষ্টা করছে। ব্রায়ানও তখন হাঁপিয়ে উঠছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ধীরে ধীরে দড়ি টেনে নেন এবং শেষ তিন ফুট পার করে জয়ী হন।

বিশ্বরেকর্ডধারী জাম্পার বনাম বাঘ লুনা

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জে আসেন ডেরিয়াস, যাঁকে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচুতে লাফানো মানুষ হিসেবে পরিচয় করানো হয়। লাফে তাঁর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড আছে। জিমির ভাষায়, ৮০০ কোটি মানুষের মধ্যে কেউ তাঁর চেয়ে উঁচুতে লাফাতে পারে না। প্রতিপক্ষ লুনা নামের একটি বাঘ। মাংস দিয়ে প্রলুব্ধ করে তাকে লাফানো হয়।

বাঘের লাফের পর জিমি জানান, ডেরিয়াস জিতলে সেটা যেন নিজের বিশ্বরেকর্ড ভেঙেই হয়। তাই লক্ষ্য ১০ ফুট ৯ ইঞ্চিতে না রেখে ১২ ফুট ৩ ইঞ্চিতে রাখা হয়, যা তাঁর গিনেস রেকর্ডের চেয়ে এক ইঞ্চি বেশি। ডেরিয়াস আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জিমি অবশ্য বলেন, তাঁর কাছে ব্যাপারটা মানবিকভাবে সম্ভব মনে হচ্ছে না।

ডেরিয়াস লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলেন এবং ভিডিওতে বলা হয়, তিনি ইতিহাসের যে কারও চেয়ে উঁচুতে লাফিয়েছেন। নতুন রেকর্ড গড়ার পরও তিনি শান্ত ছিলেন। তিনি বলেন, তাঁর মনে হয় আরও উঁচুতে যেতে পারবেন। দুই চ্যালেঞ্জ শেষে মানুষ দল এগিয়ে থাকে, আর জিমি মন্তব্য করেন যে এবার প্রাণীদের জেতা শুরু করা উচিত।

তিনটি ষাঁড়ের সামনে টাকার ব্যাগ বহন

তৃতীয় চ্যালেঞ্জ হয় একটি ষাঁড়ের অ্যারেনায়। প্রতিযোগী বুব্বা পেশায় বুল রাইডার। নিয়ম ছিল, অ্যারেনায় তিনটি ষাঁড় ছেড়ে দেওয়া হবে। ষাঁড়গুলো তাড়া করার মধ্যেই বুব্বাকে টাকাভর্তি ব্যাগ অ্যারেনার অন্য পাশে নিয়ে গিয়ে বালতিতে রাখতে হবে। তিন মিনিটে বালতিতে যত টাকা জমবে, সবই তাঁর।

ভিডিওতে বলা হয়, ষাঁড়গুলোর প্রতিটির ওজন ১,৫০০ পাউন্ড। তারা একাধিকবার বুব্বাকে তাড়া করে, একবার উপস্থাপকদের দিকেও ছুটে আসে। বুব্বার টুপি পড়ে যায়, তবু তিনি দ্রুত ১০,০০০ ডলার নিশ্চিত করেন এবং আরও ব্যাগ নিতে থাকেন। পুরো সময় তিনি হাসছিলেন। উপস্থাপকেরা বলেন, তিনটি বিশাল ষাঁড়ের সঙ্গে দৌড়ানোর তুলনায় লোকটি অস্বাভাবিক রকম শান্ত। জিমি নিজের জন্য শিক্ষা টানেন, পেশাদারদের সঙ্গে এসব কাজ করতে যাওয়া উচিত নয়। বুব্বা ৫০,০০০ ডলার জেতেন এবং জানান, সম্ভবত সেই টাকায় নতুন ট্রাক কিনবেন।

সুমো কুস্তিগীর নাকি গ্রিজলি ভাল্লুক: নিকের দ্বিতীয় সুযোগ

চতুর্থ চ্যালেঞ্জের প্রতিযোগী নিক। জিমি মনে করিয়ে দেন, এর আগের এক ভিডিওতে নিক এক মাইল এগিয়ে থেকে শুরু করেও পৃথিবীর দ্রুততম মানুষ নোয়া লাইলসের কাছে হেরেছিলেন। এবার তাঁকে "আরেকটু বেশি মারাত্মক" কিছুতে দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়া হয়। পুরস্কার ১,০০,০০০ ডলার। শর্ত হলো রিংয়ে এক মিনিট টিকে থাকা।

চোখের বাঁধন খোলার পর নিক দুটি বিকল্প দেখেন। একদিকে রামি, ৫০০ পাউন্ড ওজনের পেশাদার সুমো কুস্তিগীর। অন্যদিকে টম নামের একটি গ্রিজলি ভাল্লুক। জিমি সতর্ক করেন, ভাল্লুকটিকে নিরীহ ভাবা ভুল হবে, কারণ সে একজন সাধারণ মানুষকে টুকরো টুকরো করে ফেলতে পারে। ভাল্লুকটি উঠে দাঁড়িয়ে নিকের দিকে এগিয়ে আসার পর নিক জানিয়ে দেন, তিনি ভাল্লুকের কাছে ফিরছেন না। তিনি সুমো কুস্তিগীরকে বেছে নেন।

নিক যাতে আহত না হন, সেজন্য একজন আসল সুমো কোচ আনা হয়। কোচ তাঁকে হাঁটু বাঁকানো আর পা পিছলে চলার কৌশল দেখান। নিয়ম ছিল, এক মিনিট লাল বৃত্তের ভেতরে থাকতে হবে। তার আগে বৃত্তের বাইরে ঠেলে দেওয়া হলে নিক আবারও সব হারাবেন। ম্যাচে রামি কার্যত নিকের সঙ্গে খেলছিলেন বলে উপস্থাপকদের মনে হয়। নিক ১৫ সেকেন্ড, তারপর ২০ সেকেন্ড পার করেন। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে, মিনিট পূর্ণ হওয়ার ঠিক আগে, তিনি লাইনের ওপারে চলে যান।

জিমি মন্তব্য করেন, নিক আগে পৃথিবীর দ্রুততম মানুষের কাছে হেরেছেন, এবার হারলেন পৃথিবীর সেরা সুমো কুস্তিগীরের কাছে। খারাপ লাগছে বলে জিমি তাঁকে সান্ত্বনা হিসেবে ১০,০০০ ডলার দেন।

কমেডিয়ান ট্রেভর ওয়ালেস বনাম ছবি আঁকা হাতি

পঞ্চম চ্যালেঞ্জে কমেডিয়ান ট্রেভর ওয়ালেসের প্রতিপক্ষ একটি হাতি, যাকে "পৃথিবীর সেরা পেইন্টিং হাতি" বলে পরিচয় দেওয়া হয়। দুজনের হাতে ছিল ১০ মিনিট, যা খুশি আঁকার জন্য। যার ছবি ভালো হবে, তার শিল্পকর্ম একটি আসল শিল্প জাদুঘরে টাঙানো হবে।

জিমির অনুরোধে ট্রেভর একটি বিশাল স্কুল আঁকতে শুরু করেন। পরে একটি হলুদ দাগকে তিনি "জি-ওয়াগন" বলে ঘোষণা করেন, তারপর রাস্তা আর সূর্য যোগ করেন। পুরো সময় তিনি রসিকতা চালিয়ে যান। হাতি খাবার পাচ্ছে অথচ তাঁকে কিছু দেওয়া হচ্ছে না, এ নিয়ে অভিযোগ করেন। বব রসের উইগ চেয়ে নেন। শেষ দিকে নিজেই স্বীকার করেন, ছবিটা "খুব খারাপ" হচ্ছে। যেগুলো ইট হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো জানালার মতো দেখাচ্ছিল। শেষ সেকেন্ডে একটা ভুল টানও পড়ে যায়।

বিচারের জন্য আনা হয় ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন পেশাদারকে। তিনি ট্রেভরের ছবিকে ১০-এর মধ্যে ২ দেন এবং বলেন, ছবিটা কিছুটা কিশোরসুলভ, যেন কেউ নিজের ভেতরের শিশুর সঙ্গে যোগাযোগ করছে। হাতির ছবি দেখে ট্রেভর ঠাট্টা করেন, মনে হচ্ছে কোনো ক্লাউন বমি করেছে। তিনি এ-ও দাবি করেন, হাতিটি একা আঁকেনি। বিচারক অবশ্য বলেন, ছবিটিতে তিনি অনেক আনন্দ দেখতে পাচ্ছেন। তিনি হাতির ছবিকে ১০-এর মধ্যে ৮ দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হাতির আঁকা ছবিটি একটি শিল্প জাদুঘরে টাঙানো হয়। জিমি কৌতুক করে ভাবেন, দর্শকেরা জানেন কি না যে ছবিটা একটি হাতির আঁকা।

অভিজ্ঞ সৈন্য বনাম সন্ধানী কুকুর: জাঙ্কইয়ার্ডে সারা রাতের লুকোচুরি

ষষ্ঠ চ্যালেঞ্জ সবচেয়ে দীর্ঘ। এতে অংশ নেন একদল অভিজ্ঞ সৈন্য, যাঁদের ভিডিওতে "পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত সৈন্য" বলা হয়। জিমি তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, তাঁকে মারতে কতক্ষণ লাগবে। জবাব আসে, ৩০ সেকেন্ড। একটি বিশাল জাঙ্কইয়ার্ডে তাঁদের লুকাতে হবে ওডিনসহ কয়েকটি সন্ধানী কুকুরের কাছ থেকে। ওডিনকে পৃথিবীর অন্যতম সেরা সার্চ ডগ হিসেবে পরিচয় করানো হয়। সকাল পর্যন্ত যাঁরা ধরা পড়বেন না, তাঁরা ৫০,০০০ ডলার ভাগ করে নেবেন। কুকুরের দিকের একজন অনুমান করেন, সৈন্যরা সম্ভবত পাঁচ মিনিট টিকবে।

লুকানোর জন্য দেওয়া হয় দশ মিনিট। বেশিরভাগ সৈন্যের কৌশল ছিল প্রায় একই। তাঁরা আঁকাবাঁকা পথে দৌড়ান, যতগুলো সম্ভব গাড়ির গায়ে শরীর ঘষে ভুয়া গন্ধের চিহ্ন তৈরি করেন, তারপর কোনো গাড়িতে লুকান। জনি গাড়ির গায়ে ঘষে মিথ্যা সংকেত তৈরি করেন। কার্লোস গন্ধ ঢাকতে পানিতে ডুব দেন। একজন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ নেন। খেলার এলাকার একমাত্র গাছটিতে তিনি প্রায় ৫০ ফুট উঁচুতে উঠে বসেন। তাঁর যুক্তি ছিল, বাতাস বইছে আর তিনি মাটি থেকে দূরে আছেন, তাই কুকুরের পক্ষে তাঁর গন্ধ পাওয়া কঠিন হওয়ার কথা।

কুকুরের হ্যান্ডলাররা ব্যাখ্যা করেন, গন্ধ পেলে কুকুরের নাক উপরে উঠে যায়। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, নাক যত লম্বা, কুকুরের ঘ্রাণ-সংবেদী কোষ তত বেশি। এলাকা বিশাল বলে কুকুরকে পদ্ধতিগতভাবে আলাদা করতে হয়, কোন গন্ধ লুকিয়ে থাকা মানুষের আর কোনটা আগে কেউ হেঁটে যাওয়ার চিহ্ন।

সেজ নামের একটি কুকুর প্রথম সাফল্য পায়। হ্যান্ডলারদের হিসাবে সেজ হয়তো ৪০০ থেকে ৫০০টি গাড়ি স্ক্যান করেছিল, কিন্তু সংকেত দেয় কেবল একটিতে। সেই গাড়িতেই একজন সৈন্য ছিলেন। এরপর সেজ একটি ভ্যানের দিকে সংকেত দেয় এবং দ্বিতীয়জন ধরা পড়েন।

সব কিছু অবশ্য কুকুরের পক্ষে যায়নি। বেকি আর সেজ একজন মেরিন সেনার গাড়ির ঠিক পাশ দিয়ে চলে যায়, কিন্তু তাঁকে খুঁজে পায় না। একজন সৈন্য একটি রেড বুলের ক্যান ছুড়ে ফেলেছিলেন। সেখানে কুকুর একটি "মিথ্যা খোঁজ" পায়, যেন কেউ সেখানে এসে চলে গেছে। উপস্থাপকদের ভাষায়, ফাঁদটা কাজ করেছিল।

সারা রাত খোঁজার পরও মনে হচ্ছিল সৈন্যরা যেন অদৃশ্য হয়ে গেছেন। ভোর সাড়ে পাঁচটায় তখনও তিনজন লুকিয়ে ছিলেন। চ্যালেঞ্জ শেষ হওয়ার ঠিক আগে কুকুরগুলো একটি ট্রাকের পেছনে আরেকজনকে খুঁজে পায়। সময় শেষ হলে বাকি দুজন লুকানোর জায়গা থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ৫০,০০০ ডলার ভাগ করে নেন।

চূড়ান্ত দৌড়: চিতা মিলি বনাম তিনটি গাড়ি

শেষ চ্যালেঞ্জে চিতা মিলি তিনটি ভিন্ন গাড়ির সঙ্গে দৌড়ায়। জিমি চিতাকে পৃথিবীর দ্রুততম স্থলচর প্রাণী হিসেবে উপস্থাপন করেন। তাঁর মতে, এর গতি এতটাই বেশি যে মানুষের একটা সুযোগ পেতে হলেও Formula E রেস কারের গতি দরকার।

প্রথম দৌড় একটি গলফ কার্টের সঙ্গে। চিতা এত দ্রুত ছোটে যে উপস্থাপকেরা কার্ট থেকে তাকে আর দেখতেই পাচ্ছিলেন না। কার্ট যখন দৌড়ের মাঝপথে, চিতা ততক্ষণে শেষ করে ফেলেছে। জিমি স্বীকার করেন, সবাই জানত একটি গলফ কার্ট চিতাকে হারাতে পারবে না।

দ্বিতীয় দৌড়ের জন্য জিমি ব্যঙ্গ করে বলেন, তিনি "গাড়ির ইতিহাসের অন্যতম সুন্দর" একটি গাড়ি এনেছেন। সেটি একটি মিনিভ্যান। গ্যাস প্যাডেল পুরো চেপে ধরার পরও গাড়িটি গতি তুলতে পারছিল না, আর চিতা আবারও অনেক এগিয়ে যায়। মজার ব্যাপার হলো, চিতাটি ফিনিশ লাইনের ঠিক আগে থেমে যায়। উপস্থাপকেরা মন্তব্য করেন, প্রাণীদের সঙ্গে কাজ করলে এমনটা হতেই পারে। কেউ কেউ বলেন, চিতাটা যেন তাঁদের জন্য দুঃখ পাচ্ছিল।

প্রাণীর যত্ন ও চিতার সংরক্ষণ

চূড়ান্ত দৌড়ের আগে চিতাটিকে বিশ্রাম দেওয়া হয়, যাতে সে অতিরিক্ত গরম হয়ে না যায় বা বেশি হাঁপিয়ে না পড়ে। এই সময়ে জিমি ও তাঁর দলের সদস্যরা মিলির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পান। তাঁরা অবাক হন যে এই "অ্যাপেক্স প্রিডেটর"-এর পাশে থাকতে দেওয়া হয়েছে। চিতাটিকে তাঁদের কাছে একটি বিশাল বিড়ালের মতো লাগে, তার শরীর খুব নরম। চিতাটি জোরে গর্গর শব্দ করছিল, যা তাঁরা পছন্দের লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। নোলান তাকে ছোঁয়ার পর চিতাটি সেটা পছন্দ করেনি বলে মনে হয়।

জিমি জানান, শুটিংয়ের সময় সব প্রাণীর সঙ্গে নৈতিক আচরণ নিশ্চিত করতে তাঁরা American Humane Society-র সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আজ পৃথিবীতে ৮,০০০-এর কম চিতা বেঁচে আছে। তাই সেটে এই বিপন্ন প্রাণীদের প্রতি যত্নশীল আচরণ তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

Formula E গাড়ির জয় এবং শেষ বার্তা

শেষ দৌড়টিকে জিমি "মানুষ বনাম প্রাণীর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা" বলে উপস্থাপন করেন। মিলি দৌড়ায় Formula E বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্যবহৃত একই ধরনের গাড়ির বিরুদ্ধে। দৌড়টি খুব দ্রুত শেষ হয়, আর গাড়িটি চিতাকে পেছনে ফেলে জিতে যায়।

মিলি হারলেও জিমি বলেন, একটি চিতা যে এমন গাড়ির বিরুদ্ধে টক্কর দিতে পারে, সেটাই তাঁর কাছে বিস্ময়কর। তিনি একটি তুলনাও টানেন। এক শতাব্দীরও বেশি আগে যখন প্রথম গাড়ি তৈরি হয়েছিল, তখন বনে এক লাখের বেশি চিতা ছিল। আজ বেঁচে আছে ৮,০০০-এরও কম। জিমির মতে, এই প্রাণীদের বিলুপ্তি থেকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব, যাতে তারা মানুষকে নিজের সীমা ছাড়িয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে যেতে পারে। ভিডিওর শেষ কথায় তিনি বলেন, মিলি তাঁর দেখা সবচেয়ে মিষ্টি প্রাণী।