চার ধাপের আক্রমণ থেকে ইয়ট বাঁচাতে পারলে ইয়টটি তার: শনের প্রতিরক্ষা-চ্যালেঞ্জ

YouTube-এ খুলুন ↗
সংক্ষিপ্ত বিবরণ

এই ভিডিওতে MrBeast প্রতিযোগী শনকে একটি ইয়ট দিয়ে ঘোষণা করেন, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখন শনের। শর্ত একটাই: MrBeast নিজের সামর্থ্যের সব কিছু দিয়ে ইয়টটি ধ্বংস করার চেষ্টা করবেন, আর শনকে সেটি রক্ষা করতে হবে। আক্রমণ আসবে কয়েকটি ধাপে, যেমন ১০০টি কামানের গোলা, বিশাল বিস্ফোরক এবং আরও অনেক কিছু। প্রতিটি ধাপের আগে শন প্রতিরক্ষা তৈরির জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় পান। শুনে শনের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, মনে হচ্ছে MrBeast মজা করছেন।

9 মিনিটে পড়া

প্রথম ধাপ: ১০০টি কামানের গোলা আর শিপিং কন্টেইনারের প্রাচীর

সময় শুরু হতেই শন MrBeast-এর ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সঙ্গে সঙ্গে একগাদা সরঞ্জাম কেনেন এবং প্রথম ধাপের আক্রমণ, অর্থাৎ ১০০টি কামানের গোলার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা তৈরি শুরু করেন। তার পরিকল্পনা ছিল একটি বিশাল প্রাচীর বানানো, যাতে কামানের গোলা আটকে যায়। সারা রাত কাজ করে পরদিন সকাল পর্যন্ত, পুরো ২৪ ঘণ্টা কাজে লাগানোর পর শনকে থামতে হয়, কারণ সময় শেষ।

আক্রমণ শুরু হওয়ার আগে শন নিজের উদ্বেগের কথা বলেন। প্রথম গোলাগুলোর পরেই দেখা যায় সেগুলো সোজা প্রাচীর ভেদ করে চলে যাচ্ছে। ধারাভাষ্যে বলা হয়, স্টোরেজ কন্টেইনারগুলো ছিঁড়ে যাচ্ছিল আর কামানের গোলা প্রতিরক্ষার ভেতর দিয়ে মাখনের মতো গলে যাচ্ছিল। শন নিজেও বলেন, "আমি শেষ", কামানগুলো তাকে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে। MrBeast-এর দলের কেউ কেউ ধরে নেন যে কোনো গোলা নিশ্চয়ই সোজা ইয়টে লেগেছে। ধারাভাষ্য অনুযায়ী, পুরো ব্যাপারটি তারা যা ভেবেছিলেন তার চেয়ে অনেক বেশি কঠোর হয়ে ওঠে এবং প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে টানা গোলাবর্ষণ চলে।

পরে ইয়ট দেখতে গিয়ে দেখা যায়, ইয়টটি আসলে টিকে গেছে। একটি ছোট গর্ত হয়েছে, আর একটি গোলা রেলিংয়ে লেগেছে। তবে এটিই ছিল সবচেয়ে কম ক্ষতি। ইয়টের বাথরুম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়, আয়নাও ভেঙে যায়। হিসাব অনুযায়ী ১০০টির মধ্যে তিনটি গোলা ইয়টে লেগেছিল। শন ফলাফলটি মেনে নিয়ে বলেন, একশোর মধ্যে তিনটি বেশ ভালো।

দ্বিতীয় ধাপ: ১৫টি সামুদ্রিক বোমা আর শহরের সব গদি

এরপর MrBeast জানান, তিনি এবার পুরোপুরি সিরিয়াস। ২৪ ঘণ্টা পর ইয়টের চারপাশে একটি বৃত্তে ১৫টি সামুদ্রিক বোমা বিস্ফোরিত হবে। তিনি এটাও বলেন যে ভিডিওর আগে তারা এগুলো পরীক্ষা করে দেখেছেন এবং এগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী। শন প্রশ্ন তোলেন, এর থেকে কীভাবে রক্ষা করবেন, তারপর কয়েক ঘণ্টা ঘুমিয়ে সতেজ হয়ে ফিরবেন বলে বিশ্রামে যান।

পরদিন সকালে উঠে শন সঙ্গে সঙ্গে কাজে লেগে যান, কিন্তু প্রচণ্ড বজ্রপাতের কারণে ক্রেন ব্যবহার করতে পারেননি। তার কথায়, সেদিন সব কিছু হাত দিয়ে করতে হচ্ছিল। ইয়টকে কীভাবে সুরক্ষিত করবেন জিজ্ঞেস করা হলে তার উত্তর ছিল এক শব্দে: গদি। শনের দল শহরের প্রতিটি গদি কিনে আনে এবং সেগুলো আনা-নেওয়া করে ইয়টের চারদিকে প্রতিটি ইঞ্চি ঢেকে দেয়। ফলাফল এমন দাঁড়ায় যে বাইরে থেকে দেখে বোঝাই যায় না এটি একটি ইয়ট, দেখতে কেবল এক গাদা গদির মতো।

তবে কাজ সহজ ছিল না। MrBeast-এর ভাষ্যে, মাইন ফাটানোর আগের শেষ দুই ঘণ্টায় শন যতটা এগোবেন বলে তিনি ভেবেছিলেন, ততটা হয়নি। গদিগুলো ভারী ছিল, আর ক্রেন থাকলে কাজটা কত সহজ হতো, সে কথা বারবার উঠে আসে। সময় শেষে শনের প্রতিরক্ষা বলতে ছিল কিছু গদি আর পানির জগ। MrBeast মন্তব্য করেন যে তার মনে হয় না ইয়টটি টিকবে, এবং শনকে জিজ্ঞেস করলে শনও স্বীকার করেন যে তিনিও মনে করেন না এটি কাজ করবে। শেষ কথা জানতে চাইলে শন MrBeast-এর টুপিটা চান, আর MrBeast রাজি হন যে ইয়ট টিকে গেলে টুপিটা দেবেন।

বিস্ফোরণের পর উপস্থিত সবাই ধরে নেন, এমন বিস্ফোরণে ক্ষতি না হয়ে উপায় নেই। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখা যায় ইয়টটি এখনও দাঁড়িয়ে আছে, পুড়েছে শুধু গদিগুলো। MrBeast নিজেও বলেন, কী বলবেন বুঝতে পারছেন না, তবে কোনোভাবে এই গদিগুলো মাইনের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করেছে।

তৃতীয় ধাপ: আতশবাজি, জ্বলন্ত তীর আর ক্যাটাপল্ট

তৃতীয় ধাপের আক্রমণ তিনটি স্তরে সাজানো ছিল। প্রথমে ইয়টের দিকে সরাসরি দশ লক্ষ আতশবাজি ছোড়া হবে, তারপর আরও উঁচু থেকে জ্বলন্ত তীরের ঝাঁক, আর শেষে ক্যাটাপল্ট দিয়ে আকাশ থেকে "জ্বলন্ত মৃত্যুর গোলা" ছোড়া হবে।

ধারাভাষ্য অনুযায়ী, এই পর্যায়ে এসে শনের নির্মাণ-কৌশল বেশ দক্ষ হয়ে উঠছিল। তিনি দলকে তৃতীয় ধাপের জন্য কন্টেইনারগুলো সরানোর নির্দেশ দেন, আর দল কাজ করার ফাঁকে খানিকটা প্রয়োজনীয় বিশ্রামও পায়। শনের পরিকল্পনা ছিল আরও শিপিং কন্টেইনার এনে একটি বিশাল প্রাচীর বানানো। তার আশা ছিল প্রাচীরটি এত উঁচু হবে যে আতশবাজি আর জ্বলন্ত ক্যাটাপল্টের ধ্বংসাবশেষ ইয়টে পৌঁছাতে পারবে না। কেউ কেউ পুরো ব্যবস্থাটাকে নড়বড়ে বলে মন্তব্য করলেও শন নিজে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এবং বলেন, আজ তার দিন।

MrBeast এই নির্মাণকে দ্বিতীয় ধাপের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটা অবিশ্বাস্য, শন সত্যিই নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন। তার মতে শন এমন এক দুর্বল প্রতিরক্ষা থেকে, যার ভেতর দিয়ে একাধিক কামানের গোলা ঢুকে গিয়েছিল, এখন এমন কিছুতে পৌঁছেছেন যা আসলেই কাজ করতে পারে বলে তিনি মনে করেন। এর পাশাপাশি শন হ্রদের পানি তুলে স্প্রিংকলারের মাধ্যমে গদিগুলো ভিজিয়ে রাখছিলেন। পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, প্রাচীরটি ৪০ ফুট উঁচু শক্ত দেয়াল। ক্যাটাপল্টের গোলা কন্টেইনারের ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে ইয়টে লাগবে কি না, তা নিয়ে ক্যাটাপল্ট চালানোর দায়িত্বে থাকা চ্যান্ডলার আর শনের মধ্যে খোঁচাখুঁচি চলে। চ্যান্ডলার দাবি করেন সরাসরি আঘাত হবে, শন বলেন তা হবে না।

শেষ ৩০ সেকেন্ডে শনকে কিছুই না করতে দেখে MrBeast জানতে চান তিনি কেন এত আত্মবিশ্বাসী। শন জানান, তারা প্রস্তুত, সব ঢাকা হয়েছে, প্রাচীর তৈরি, আর সব কিছু ভেজানো। বাকি ২০ সেকেন্ড অপেক্ষা না করে তিনি শুরু করে দিতে বলেন।

আতশবাজি শুরু হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ইয়টে ধোঁয়া দেখা যায় এবং আতশবাজি ইয়টের উপরের অংশে লাগে। এরপর এক হাজার জ্বলন্ত তীর ছোড়া হয়, যেগুলো প্রাচীরের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছিল। তারপর আসে ক্যাটাপল্ট, যার গোলাগুলো ছিল মূলত জ্বলন্ত বোলিং বল। একটি গোলা সোজা ইয়টের দিকে গিয়ে ইয়টের পাশের শিপিং কন্টেইনারে আঘাত করে। এক পর্যায়ে ইয়ট উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে বলে মনে হওয়ায় MrBeast শনের জন্য চিন্তা প্রকাশ করেন, কিন্তু শন জানান তিনি এখনও ঠিক আছেন বলে মনে করছেন। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু অংশ ভেঙে পড়ছিল। ধারাভাষ্যে বলা হয়, একটি ক্যাটাপল্টের গোলা ইয়টে পড়লেই পুরো ভিডিও শেষ হয়ে যেতে পারত, আর একটি শট বেশ কাছ দিয়ে যায়। শেষ ক্যাটাপল্টের গোলা সরাসরি আঘাত করলে পানির জন্য চিৎকার শোনা যায়। তবু তৃতীয় ধাপের পর শন হাসছিলেন।

চূড়ান্ত প্রস্তুতি: সব আক্রমণ একসঙ্গে, সঙ্গে মেশিনগান

MrBeast এরপর জানান, শন হয়তো এখন হাসছেন, কিন্তু চূড়ান্ত ধাপের জন্য তিনি প্রস্তুত নন। ২৪ ঘণ্টা পর ইয়টে মেশিনগান দিয়ে আক্রমণ করা হবে, আর সঙ্গে থাকবে এ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের আক্রমণ: আতশবাজি, ক্যাটাপল্ট, তীর এবং ১০০টি কামান। এবার একগুচ্ছ বোমার বদলে থাকবে একটি বিশাল সামুদ্রিক মাইন। MrBeast এটিকে বর্ণনা করেন প্রায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো এবং সম্ভবত অবৈধ, দ্বীপ সমান করে দেওয়ার মতো সামুদ্রিক মাইন হিসেবে। পরে বলা হয় এটি আগের ১৫টি মাইনের সমান।

চতুর্থ ধাপের দিনে শন তার সাধারণ পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন: ইয়ট আর আক্রমণের মাঝখানে যত বেশি সম্ভব জিনিস রাখা। বাকি ক্রেটগুলো দিয়ে তিনি ফাটল বন্ধ করবেন যাতে বুলেট ঢুকতে না পারে। যেখানে কামান গুলি করবে, তার ঠিক সামনে যতটা সম্ভব মাটি দিয়ে একটি প্রতিরোধক বাঁধ বানাবেন। আর যেহেতু বিশাল বোমাটি পেছন দিক থেকে পাঠানো হতে পারে, বাকি সময়ে তিনি পেছনের দিক পানিভর্তি ব্যারেল দিয়ে বন্ধ করবেন।

এই পর্যায়ে শন চ্যালেঞ্জটির কষ্টের কথাও বলেন। তিনি বাড়ি থেকে দূরে, পরিবারকে মিস করছেন। তার মতে পানির উপাদানটিই সব কিছু এত কঠিন করে তুলেছে, কারণ চাইলেই নৌকায় উঠে জিনিসপত্র রেখে দেওয়া যায় না। বিশাল বোমাটি তাকে নার্ভাস করে তুলেছিল বলেও তিনি জানান। সময় শেষে তার প্রতিরক্ষায় ছিল মেশিনগানের জন্য একাধিক স্তরের ধাতব ঢাল, কামান থামানোর জন্য বালির ঢিবি ও অন্যান্য জিনিস, প্রজেক্টাইলের জন্য উঁচু প্রাচীর এবং ভেজানো গদি।

সময় শেষ হলে শন বলেন, তার মনে হচ্ছে এসব একটা খারাপ স্বপ্ন ছিল, আর MrBeast উত্তর দেন, না, এটাই বাস্তব। MrBeast আরও বলেন, ইয়ট ধ্বংস করা তার কাজ হলেও তিনি সত্যিই চান শন জিতুক। শন জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি এমন একটি নৌকা চাইতেন। MrBeast প্রস্তুতির দিকে তাকিয়ে মন্তব্য করেন, ১০০ ঘণ্টা আগে সেখানে শুধু একটি নৌকা ছিল, আর এখন এত কিছু। তিনি বুঝতে পারছেন না শন কীভাবে এটা করলেন। নার্ভাস কি না জিজ্ঞেস করলে শন বলেন, না।

চূড়ান্ত ধাপ: মেশিনগান, কামান আর একসঙ্গে সব কিছু

প্রথমে মেশিনগান চালানো হয়। শুরুতেই নৌকায় একটি গুলি লাগতে দেখা যায়, আর শুটাররা আসলে প্রতিরক্ষার ফাটল দিয়ে নিশানা করছিলেন। বিশৃঙ্খলা আরও বাড়ে যখন একজন শুটার ভুলবশত আতশবাজিতে গুলি করে সেগুলো জ্বালিয়ে দেন। MrBeast শনকে সরাসরি বলেন, সৎভাবে বলতে গেলে তার মনে হয় না ইয়টটি টিকবে।

এরপর কামান চালানো হয়, এটা দেখতে যে আগেরবার থেকে শন শিক্ষা নিয়েছেন কি না। একটি কামানের গোলা ইয়টে লাগলেও ধারাভাষ্য অনুযায়ী ক্রেট আর মাটির ঢিবি বাকি আঘাত থামিয়ে দিতে পেরেছিল। জ্বলন্ত ক্যাটাপল্টের বিরুদ্ধেও শনের প্রতিরক্ষা এত কার্যকর ছিল যে MrBeast-এর ভাষায়, শন একটি জ্বলন্ত গোলা ধরেও ফেলেন, যদিও সেটি শিপিং কন্টেইনারে পড়েছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এই গতিতে চললে সারা রাত লেগে যাবে, তাই MrBeast সিদ্ধান্ত নেন কামান, আতশবাজি, তীর, ক্যাটাপল্ট সব কিছু একসঙ্গে চালানো হবে। এত ধোঁয়া বের হয় যে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না, আর উপস্থিত কেউ একে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেন। শন জিমির কাছে জানতে চান আর কতক্ষণ লাগবে, কারণ ব্যাপারটা তাকে শেষ করে দিচ্ছে।

মেগা সামুদ্রিক বোমা ও ফলাফল

শেষ চমক হিসেবে MrBeast জানান, তার প্রতিটি YouTube ভিডিওর মতো এখানেও সেরাটা, শনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপটা, শেষের জন্য রাখা হয়েছে। ভিডিওর আগের অংশের ১৪টি সামুদ্রিক বোমা একত্র করে একটি মেগা সামুদ্রিক বোমা বানানো হয়েছে, এবং সেটি একটি RC বোটে করে সরাসরি ইয়টের দিকে যাচ্ছিল। বিস্ফোরণটি ভয়াবহ হবে বলে আগেই ধরে নেওয়া হয়। বিস্ফোরণের পর উপস্থিত সবাই একে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেন।

কাছে গিয়ে দেখা যায়, এত কিছু সহ্য করার পরেও ইয়টটি এখনও ভাসছে। শন বলেন, তিনি জীবনে অনেক অদ্ভুত কাজ করেছেন, কিন্তু এমন অভিজ্ঞতা আগে কখনো হয়নি। তবে MrBeast লক্ষ্য করেন যে কিছু গুলি আর কামানের গোলা ভেতরে ঢুকে গেছে বলে মনে হচ্ছে। তাই তিনি শনকে ৫০,০০০ ডলার দেন, যাতে শন ইয়টটি মেরামত করতে পারেন।

ভিডিওর শেষে দর্শকরা জানতে চাইবেন ভেবে MrBeast শনের নতুন ইয়টের নাম জিজ্ঞেস করেন, কিন্তু শন নামটি বলার মাঝপথেই ভিডিও কেটে যায়, তাই নামটি জানা যায় না। শেষে জানানো হয় যে ভিডিওর পর হ্রদটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়েছে।